বাংলায় রোজার নিয়ত, সাহরির দোয়া এবং ইফতারের দোয়া
আল্লাহ তায়ালা স্বয়ং নিজে পবিত্র মাহে রমজান মাসে রোজা পালন করার নির্দেশ দিয়েছেন। প্রাপ্ত বয়স্ক সকল মুসলমান নারী-পুরুষের জন্য রমজান মাসে রোজা রাখা ফরজ করা হয়েছে। রোজা রাখার মাধ্যমে মানুষ তাকওয়া তথা আল্লাহ ভীতি অর্জন করে এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভ ধন্য হয়।
পবিত্র মাহে রমজান মাসে রোজা পালন করার নির্দেশ দিয়ে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর সিয়াম তথা রোজা ফরজ করা হয়েছে; যেমনি ভাবে ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর ; যাতে তোমরা তাকওয়া (আল্লাহ ভীতি) অর্জন করতে পার। ( সুরা বাকারা : আয়াত ১৮৩ )
মাহে রমজানের রোজা পালন করার জন্য সাহরি খাওয়া আবশ্যক। হাদিসে প্রিয়নবি (সাঃ) সাহরি গ্রহণের তাগিদ দিয়েছেন। এবং এটি সুন্নাহ। আবার যথাসময়ে ইফতার গ্রহণ করার ও তাগিদ প্রদান করেছেন প্রিয়নবি (সাঃ)।
হযরত আমর ইবনুল আস রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বর্ণনা করেন রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, আমাদের রোজা এবং আহলে কিতাব তথা ইয়াহুদি ও খ্রিস্টানদের রোজার মধ্যকার পার্থক্য হলো সাহরি খাওয়া। (অর্থাৎ মুসলিমরা সাহরি খায় আর ইয়াহুদি ও খ্রিস্টানরা সাহরি খায় না)।’ (মুসলিম, নাসাঈ)
মাহে রমজানের রোজা পালনে সাহরি এবং ইফতারের যেমন গুরুত্ব রয়েছে তেমনি রোজার নিয়ত এবং ইফতারের দোয়ারও যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে। সাহরি খাওয়ার পর রোজার নিয়ত করা জরুরি।
রোজার আরবি নিয়ত
نَوَيْتُ اَنْ اُصُوْمَ غَدًا مِّنْ شَهْرِ رَمْضَانَ الْمُبَارَكِ فَرْضَا لَكَ يَا اللهُ فَتَقَبَّل مِنِّى اِنَّكَ اَنْتَ السَّمِيْعُ الْعَلِيْم
বাংলায় রোজার নিয়ত উচ্চারণ
নাওয়াইতু আন আছুম্মা গাদাম মিন শাহরি রমাজানাল মুবারাকি ফারদাল্লাকা, ইয়া আল্লাহু ফাতাকাব্বাল মিন্নি ইন্নিকা আনতাস সামিউল আলিম।
রোজার নিয়তের বাংলা অর্থ
হে আল্লাহ! আমি আগামীকাল পবিত্র রমজানের তোমার পক্ষ থেকে নির্ধারিত ফরজ রোজা রাখার ইচ্ছা পোষণ (নিয়্যত) করলাম। অতএব তুমি আমার পক্ষ থেকে (আমার রোযা তথা পানাহার থেকে বিরত থাকাকে) কবুল কর, নিশ্চয়ই তুমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।
সাহরির দোয়া
ইফতারের দোয়া
আরো পড়ুন।
- রোজা কার কার উপর ফরজ
- রোজা ভঙ্গের কারণ সমূহ কি কি
- রোজা ভঙ্গের কাফফারা
- মৃত ব্যক্তির রোজার কাফফারা
- রোজা কি মাসে হবে ২০২৩